মেঘনায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রকৃত চালক ছাড়া যেসব লঞ্চ চলবে, লাইট জ্বালাবে না এবং নিয়ম মানবে না তাদের লাইসেন্স ও রুট পারমিট বাতিল করা হবে।

'এই ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। নদী পথে দুর্ঘটনা...ঝড়-তুফানের মধ্যে পড়তে পারে কিন্তু একটা আরেকটাকে যেভাবে মেরেছে, তাতে মনে হলো যে চালাচ্ছিল সে ঘুমিয়ে গেছিল বা অন্য কাউকে দিয়ে চালাচ্ছিল—যেটা দেখে মনে হলো, তদন্ত ছাড়া সঠিক কারণ নির্ণয় করা যাবে না,' বলেন তিনি।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাখাওয়াত আরও বলেন, 'ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, রাতে কুয়াশায় কোনো লঞ্চ চলবে না, যতক্ষণ ভিজিবিলিটি ভালো না হয় এবং যেখানে (লঞ্চ) নোঙর করবে, লাইট জ্বালিয়ে রাখবে।'

'এই মৌসুমে সকাল ৮টার আগে যদি কোনো বাল্কহেড চলাচল করে তাকে গ্রেপ্তার করার কথা বলা হয়েছে,' যোগ করেন তিনি।

মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, মরদেহ স্থানান্তর ও দাফনের জন্য আপাতত মন্ত্রণালয় থেকে সরকার মৃত ব্যক্তি প্রত্যেকের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে দেবে।

'এছাড়া যারা আহত হয়েছেন, চিকিৎসা করাতে হচ্ছে, তাদের যাতে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া যায় সেটা আমি বলেছি। একইসঙ্গে মালিকদের পক্ষ থেকে যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা, সেটা যাতে দেওয়া হয় সে জন্য আমি মালিকদের ডাকতে বলেছি। তাদের কী দোষ আছে সেটাও দেখা যাবে,' যোগ করেন সাখাওয়াত।